Blog

  • এই ডিজিটাল বিশ্বে কম্পিউটার শেখার বিকল্প নাই

    **কম্পিউটার প্রশিক্ষণ: আধুনিক যুগে কেন প্রয়োজন?**
    আধুনিক পৃথিবীতে কম্পিউটার প্রযুক্তির ব্যবহার অবাধ্য হয়ে উঠেছে। নতুন সময়ের ডিজিটাল সমাজে, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রয়োজনীয় দক্ষতা হিসেবে উত্তরমূলক হয়েছে। আমরা দেখতে পাচ্ছি যে প্রায় সব ক্ষেত্রে, শিক্ষার নানা বিভাগে, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ অত্যন্ত প্রয়োজনীয় হচ্ছে। নিচে কয়েকটি কারণ আলোচনা করা হলো যেগুলোতে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রয়োজন:
    **১. পেশাদার উন্নতির সুযোগ:**
    আধুনিক কর্মপরিচালনা ব্যবসায়ে, শিক্ষার ক্ষেত্রে, অনুসন্ধানে এবং বিভাগীয় কাজে, কম্পিউটার দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এটি পেশাদার ক্যারিয়ার উন্নতির জন্য অবিহিত হিসেবে কাজ করে। কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে লোকেরা নিজেদের দক্ষতা এবং ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে পারেন, যা তাদেরকে পেশাদার প্রস্তুতি করতে সাহায্য করে।
    **২. ব্যবসায় সম্প্রচার এবং বিপণন:**
    ব্যবসা সম্প্রচারের সাথে সাথে ডিজিটাল মার্কেটিং এর প্রয়োগ এবং অনুষ্ঠানের জন্য কম্পিউটার দক্ষতা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কম্পিউটার প্রশিক্ষণের মাধ্যমে ব্যবসা সামগ্রী পরিচালনা, সম্প্রচার পরিকল্পনা, এবং বিপণন পরিকল্পনা করা যেতে পারে।
    **৩. প্রযুক্তি বিকাশ এবং নতুন প্রযুক্তির সাথে ধারাবাহিক যোগাযোগ:**
    প্রযুক্তির দ্বারা বিভিন্ন সাথে যোগাযোগ প্রয়োগ করা যেতে পারে, এবং নতুন প্রযুক্তির সাথে ধারাবাহিক প্রযুক্তির সংহতি বৃদ্ধি করার জন্য কম্পিউটার প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
    **৪. স্বতন্ত্রভাবে সমাধ
    ান:**
    কম্পিউটার দক্ষতা অর্জনের মাধ্যমে, লোকেরা নিজেরা সমস্যা সমাধান করতে পারেন এবং নিজেরা স্বতন্ত্রভাবে কাজ করতে পারেন। এটি তাদের স্বাধীনতা এবং স্বতন্ত্রতা বাড়াতে সাহায্য করে।
    **৫. বিশ্বের সম্মানিত কোর্স এবং শিক্ষা প্রদানকারী:**
    বিভিন্ন অনলাইন ও অফলাইন প্ল্যাটফর্মে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ প্রদান করা হয়ে থাকে যা আমাদের কর্মপরিচালনা যাচাই করে।
    সংক্ষেপে বলা যায় যে, আধুনিক সময়ে, কম্পিউটার প্রশিক্ষণ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি প্রয়োজনীয় দক্ষতা। এটি লোকেরা তাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার উন্নতির পথে সহায়ক হতে পারে, যা তাদেরকে বিভিন্ন শিক্ষার ক্ষেত্রে দক্ষ এবং সম্মানিত করতে পারে।

  • ফাইবার ও আপওয়ার্ক ছাড়াও ১২ টি মার্কেটপ্লেস

    বর্তমান সময়ে পেশা হিসেবে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে ফ্রিল্যান্সিং, এ পেশা জনপ্রিয় হওয়ার পিছনে বেশ কিছু কারন রয়েছে। তার মধ্যে অন্যতম কারন হচেছ কাজের ফ্লেক্সিবিলিটি। যেকোন স্থানে থেকেই এই পেশায় কর্ম নিয়োগ করা যায়।

    এতে কোন সন্দেহ নেই যে, বর্তমান সময়ে ফ্রিল্যান্সিং আধুনিক কর্মশক্তির একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হয়ে উঠেছে, যা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে প্রফেশনালদের জন্য ফ্লেক্সিবিলিটি, নিজের স্বাধীনতা এবং প্রচুর অপর্চুনিটিজ প্রদান করে। আর আমরা যখনি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্মের কথায় আসি, তখনি ফাইভার এবং আপওয়ার্কের মতো নামগুলো মাথায় আসে। কিন্তু, ফ্রিল্যান্সিং এর জগৎ বিস্তীর্ণ। ফাইভার এবং আপওয়ার্কের মতো আরও অনেক প্ল্যাটফর্ম রয়েছে যেগুলি একই রকম, ফ্রিল্যান্সারদের জন্য সুযোগ দেয়।

    এই আর্টিকেলে কম পরিচিত কিন্তু Fiverr এবং Upwork এর মতো জনপ্রিয় এরকম ১২ টি জনপ্রিয় ফ্রীল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস সম্পর্কে এক্সপ্লোর করবো, যা বিভিন্ন দক্ষতা সেট এবং প্রয়োজনীয়তা পূরণ করে।
    # **ফাইভার এবং আপওয়ার্ক ছাড়া আরো ১২ টি জনপ্রিয় ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেস**

    আগেই বলেছি ফ্রিল্যান্সারদের একটি বিস্তৃত নেটওয়ার্ক রয়েছে যা বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে বিস্তৃত। বর্তমানে এমন অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে যেগুলো অথেন্টিক কিন্তু আমরা হয়তো জানিনা, ঠিক এরকম ১২টি মার্কেটপ্লেস এর পরিচিতি আপনাদের সামনে তুলে ধরবো-
    ## **১/ Freelancer.com:** প্রথমেই আশা যাক ফ্রীল্যান্সার ডট কম এর কথায়। এটি **2009 সালে ” ম্যাট ব্যারি “** দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। বর্তমানে বিশ্বব্যাপী 50 মিলিয়নেরও বেশি ইউজারের সাথে, Freelancer.com একটি গতিশীল প্ল্যাটফর্ম যা বিস্তৃত দক্ষতা এবং ইন্ডাস্ট্রিকে কভার করে। আপনি একজন লেখক, ডিজাইনার, ডেভেলপার বা মার্কেটার হোন না কেন, আপনি এই প্লাটফর্মে কাজ করার জন্য প্রচুর প্রজেক্ট এবং ক্লায়েন্টদের সাথে সহযোগিতা করার জন্য সুযোগ পাবেন।
    ## **২/ PeoplePerHour:** এরপরে আসি পিপল পার আওয়ার এর কথায়। **2007 সালে “Xenios Thrasyvoulou** ” দ্বারা প্রতিষ্ঠিত PeoplePerHour, ঘন্টাভিত্তিক প্রজেক্ট গুলিতে ফোকাস দিয়ে ফ্রিল্যান্স বাজারে বিপ্লব ঘটিয়েছে। PeoplePerHour বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে ছোট থেকে মাঝারি আকারের প্রজেক্ট গুলিতে ফোকাস করে এবং ফ্রিল্যান্সারদের তাদের নিজস্ব হার এবং কাজের সময়সূচী সেট করার অনুমতি দেয়। এর AI-চালিত ম্যাচিং সিস্টেম ফ্রিল্যান্সারদের প্রাসঙ্গিক প্রজেক্টের সাথে সংযুক্ত করে, কাজ খুঁজে পাওয়া সহজ করে তোলে। আপনি একজন গ্রাফিক ডিজাইনার বা সোশ্যাল মিডিয়া বিশেষজ্ঞ হোন না কেন, PeoplePerHour আপনার দক্ষতা প্রদর্শনের জন্য একটি প্রাণবন্ত প্ল্যাটফর্ম অফার করে।
    ## **৩/ Guru:** গুরু **1998 সালে ” ইন্দর গুগলানি** ” দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। গুরু ফ্রিল্যান্সারদের তাদের পোর্টফোলিও প্রদর্শন এবং প্রজেক্ট গুলিতে বিড করার জন্য একটি প্ল্যাটফর্ম সরবরাহ করে। এটি তার ওয়ার্ক রুম বৈশিষ্ট্যের সাথে স্বচ্ছতার উপর জোর দেয়, যা ফ্রিল্যান্সার এবং ক্লায়েন্টদের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগের সুবিধা দেয়। আপনি একজন লেখক, ডিজাইনার বা ডেভেলপার হোন না কেন, গুরু বিভিন্ন সুযোগের অফার করে। বর্তমানে প্ল্যাটফর্মটির বিশ্বব্যাপী 3 মিলিয়নেরও বেশি সদস্য রয়েছে এবং এরই মধ্যে এটি ফ্রিল্যান্সারদের **$250** মিলিয়নেরও বেশি অর্থ প্রদান করেছে।
    ## **৪/ Toptal:** এই প্লাটফর্মটি ট্রেডিশনাল ফ্রিল্যান্স প্ল্যাটফর্মের বিপরীতে কাজ করে বলে এর জনপ্রিয়তা আছে ব্যাপক। টপটাল **2010 সালে ” তাসো ডু ভ্যাল এবং ব্র্যান্ডেন বেনেশট ” দ্বারা প্রতিষ্ঠিত** হয়েছিল। টপটাল সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, ডিজাইন এবং ফিনান্সের মতো ক্ষেত্রে শীর্ষ-স্তরের ফ্রিল্যান্সারদের একচেটিয়া নেটওয়ার্কের জন্য বিখ্যাত। আপনি যদি চ্যালেঞ্জিং প্রজেক্ট খুঁজছেন এমন একজন অভিজ্ঞ প্রফেশনাল ফ্রীল্যান্সার হন, তাহলে Toptal আপনার জন্য সঠিক প্ল্যাটফর্ম হতে পারে।
    ## **৫/ 99designs:*** *99designs একটি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম যা ডিজাইনারদের জন্য বিশেষভাবে তৈরি করা হয়েছে। **এটি 2008 সালে Mark Harbottle এবং Matt Mickiewicz দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।** এটি লোগো ডিজাইন, ওয়েব ডিজাইন এবং ব্র্যান্ডিং সহ গ্রাফিক ডিজাইন সার্ভিস এর জন্য নিবেদিত একটি প্ল্যাটফর্ম। এটি ডিজাইন প্রতিযোগিতার আয়োজন করে, যেখানে ক্লায়েন্টরা একাধিক ডিজাইনারের কাছ থেকে কাজ পেতে পারে এবং তাদের পছন্দের ডিজাইনার নির্বাচন করতে পারে। অপরদিকে, ফ্রিল্যান্সাররা তাদের পোর্টফোলিও প্রদর্শন করতে পারে এবং তাদের ক্লায়েন্টদের সরাসরি ডিজাইন সার্ভিস অফার করতে পারে। এই প্ল্যাটফর্মটিতে 1 মিলিয়নেরও বেশি ডিজাইনার রয়েছে এবং ডিজাইনারদের **$200** মিলিয়নেরও বেশি অর্থ প্রদান করেছে।
    ## **৬/ Freelance Writing Gigs:*** *এটি **2007 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়**। এর নাম অনুসারে এর কাজের ধরণের অনেক মিল আছে, ফ্রিল্যান্স রাইটিং গিগস হল ব্লগিং, কপিরাইটিং এবং কনটেন্ট মার্কেটিং সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুযোগের সন্ধানকারী রাইটারদের জন্য একটি উত্সর্গীকৃত প্ল্যাটফর্ম। এখানে যত্ন সহকারে ইন্টারনেটে চাকরির অফার নির্বাচন করে এবং রাইটারদের জন্য প্রাসঙ্গিক অবস্থানগুলি খুঁজে পাওয়া সহজ করে। এক কথায় এটি, লেখায় এক্সপার্ট ফ্রিল্যান্সারদের জন্য লিড প্রদান করে।
    ## **৭/ Crowded:*** *এটি একটি AI -চালিত জব ম্যাচিং প্ল্যাটফর্ম। **Crowded 2014 সালে Howie Schwartz দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল**। এটি এমন একটি ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম যা স্বল্প-মেয়াদী প্রজেক্ট এবং গিগগুলির সাথে ফ্রিল্যান্সারদের সংযুক্ত করার উপর ফোকাস করে। এখানে সফটওয়্যার ডেভেলপমেন্ট, আইটি এবং ডিজিটাল মার্কেটিং সহ প্রযুক্তি-সম্পর্কিত অবস্থানগুলিতে ফোকাস করা হয়। ক্রাউডেড ফ্রিল্যান্সারদের তাদের কাজে পারদর্শী হতে সাহায্য করার জন্য রিয়েল-টাইম ফিডব্যাক এবং পারফরম্যান্স ট্র্যাকিংয়ের মতো বৈশিষ্ট্যগুলি অফার করে।
    ## **৮/ FlexJobs:*** *ফ্লেক্সজবস 2007 সালে সারা সাটন দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ফ্লেক্সজবস হল একটি সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক জব বোর্ড যা দূরবর্তী এবং ফ্লেক্সিবল কাজের সুযোগে বিশেষীকরণ করে। এটি ফ্রিল্যান্সার, রিমোট ওয়ার্কার্স এবং কর্মজীবনের ভারসাম্য খুঁজছেন এমন পেশাদারদের লক্ষ্য করে। ফ্লেক্সজবস-এর কাছে রিমোট ওয়ার্ক এবং ফ্লেক্সিবল কাজের ব্যবস্থার একটি বিস্তৃত ডাটাবেস রয়েছে, যা এটিকে বিকল্প কাজের সুযোগ খুঁজছেন ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি মূল্যবান সম্পদ করে তুলেছে। এই প্ল্যাটফর্মটিতে রাইটিং, এডিটিং, মার্কেটিং এবং ডেটা এন্ট্রির মতো বিভিন্ন বিভাগে 30,000 টিরও বেশি কাজের তালিকা রয়েছে।
    ## **৯/ SolidGigs:*** *2015 সালে প্রেস্টন লি দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয় SolidGigs। SolidGigs হল একটি সাবস্ক্রিপশন-ভিত্তিক সার্ভিস যা সদস্যদের কিউরেটেড ফ্রিল্যান্স কাজের তালিকা, সংস্থান এবং বিশেষজ্ঞের পরামর্শ প্রদান করে। এদের লক্ষ্য হল ফ্রিল্যান্সারদের ইনবক্সে সরাসরি উচ্চ-মানের কাজ সরবরাহ করে, যাতে করে তাদের সময় এবং শ্রম বাঁচে। পরিমাণের চেয়ে গুণমানের উপর ফোকাস দিয়ে, সলিডগিগস ফ্রিল্যান্সারদের প্রোডাকটিভ থাকতে এবং তাদের স্কিলে ফোকাস করতে সহায়তা করে। এই প্ল্যাটফর্মটি ফ্রিল্যান্সারদের একটি সফল ক্যারিয়ারের জন্য প্রশিক্ষণ, সহায়তা এবং সংস্থান সরবরাহ করে।
    ## **১০/ Simply Hired:*** *সিম্পলি হায়ারড, **গৌতম গোধওয়ানি দ্বারা 2003 সালে প্রতিষ্ঠিত হয়**। সিম্পলি হায়ারড হল একটি কাজের সার্চ ইঞ্জিন যা কোম্পানির ওয়েবসাইট এবং জব বোর্ড সহ বিভিন্ন উৎস থেকে চাকরির তালিকা একত্রিত করে। এটি ফ্রিল্যান্সার এবং রিমোট ওয়ার্কের জন্য এটিতে একটি উত্সর্গীকৃত বিভাগ রয়েছে, যা ফ্রিল্যান্সারদের জন্য তাদের দক্ষতা এবং পছন্দগুলির উপর ভিত্তি করে উপযুক্ত চাকরি খুঁজে পাওয়া সহজ করে তোলে। এটি বিভিন্ন বিভাগে ফ্রিল্যান্স কাজের জন্য তালিকা প্রদান করে যেমন রাইটিং, ডিজাইন এবং হেলথকেয়ার।
    ## **১১/ We Work Remotely:*** *2011 সালে ম্যাট স্মিথ দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। উই ওয়ার্ক রিমোটলি প্রোগ্রামিং, ডিজাইন, মার্কেটিং এবং কাস্টমার সাপোর্ট সহ বিভিন্ন ইন্ডাস্ট্রি জুড়ে দূরবর্তী কাজের তালিকায় বিশেষজ্ঞ। এতে ফুল-টাইম, পার্ট-টাইম এবং ফ্রিল্যান্স পজিশন রয়েছে, যা ফ্রিল্যান্সারদের তাদের লাইফস্টাইল এবং পছন্দ অনুসারে দূরবর্তী কাজ খুঁজে পেতে দেয়। একটি ব্যবহারকারী-বান্ধব ইন্টারফেস এবং বিস্তৃত কাজের তালিকা সহ, আমরা দূরবর্তীভাবে কাজ করি দূরবর্তী সুযোগের সন্ধানকারী ফ্রিল্যান্সারদের জন্য একটি গো-টু রিসোর্স। প্ল্যাটফর্মটিতে প্রতি মাসে 2.5 মিলিয়নেরও বেশি অনন্য অডিয়েন্স রয়েছে।
    ## **১২/ TaskRabbit:*** *TaskRabbit **2008 সালে Leah Busque** দ্বারা প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। TaskRabbit ফ্রিল্যান্সারদের, যাদেরকে এখানে **”টাস্কার” **বলা হয়। এটি এমন একটি প্ল্যাটফর্ম যেখানে- গৃহস্থালির কাজ, কায়িক শ্রম এবং ব্যক্তিগত সহায়তা সহ বিভিন্ন সার্ভিস এর প্রয়োজন আছে এমন ব্যক্তি এবং ব্যবসার সাথে সংযোগ করে। TaskRabbit প্ল্যাটফর্ম বিরামহীন যোগাযোগ এবং অর্থপ্রদান প্রক্রিয়াকরণ সক্ষম করে, এটি Taskers এবং গ্রাহকদের জন্য সুবিধাজনক করে তোলে।

    **কম পরিচিত প্ল্যাটফর্মের সুবিধা**

    বিকল্প ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসগুলি এক্সপ্লোর করা শুধুমাত্র সুযোগকে বৈচিত্র্যময় করে না বরং প্রতিযোগিতা কমায় এবং ফ্রিল্যান্সারদের জন্য ভিজিবিলিটি বাড়ায়। ফাইভার এবং আপওয়ার্কের তুলনায় এই প্ল্যাটফর্মগুলিতে প্রায়ই কম ব্যবহারকারী থাকে, যা ফ্রিল্যান্সারদের আলাদা হতে এবং সম্ভাব্য ক্লায়েন্টদের আরও কার্যকরভাবে আকৃষ্ট করতে দেয়। কিছু প্ল্যাটফর্ম ফ্রিল্যান্সারদের মধ্যে সহযোগিতা এবং নেটওয়ার্কিং বৃদ্ধি করে বিশেষ সার্ভিস এবং বিশেষ কমিউনিটিগুলি অফার করে।

    যদিও Fiverr এবং Upwork ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটে প্রভাবশালী ফ্রিল্যান্সিং প্ল্যাটফর্ম হিসেবে রয়ে গেছে, কিন্তু এই বিকল্প প্ল্যাটফর্মগুলি অনন্য বৈশিষ্ট্য এবং সার্ভিসগুলি অফার করে যা একজন ফ্রীল্যান্সার এর নির্দিষ্ট চাহিদা এবং পছন্দগুলি পূরণ করতে সক্ষম। আমাদের দেশে বর্তমানে নতুন থেকে শুরু করে পুরাতন বেশিরভাগ ফ্রীল্যান্সার এই উপরন্তু প্লাটফর্মগুলো সম্পর্কে কম জানে। এই প্লাটফর্মগুলো কমপরিচিত হলেও এই মার্কেটপ্লেস গুলির গ্রহণ যোগ্যতা ব্যাপক।

    তাই এই বিকল্প প্ল্যাটফর্মগুলি এক্সপ্লোর করে, ফ্রিল্যান্সাররা তাদের ক্লায়েন্ট বেস প্রসারিত করতে পারে, তাদের আয়ের প্রবাহকে বৈচিত্র্যময় করতে পারে এবং একটি সফল ফ্রিল্যান্স ক্যারিয়ার তৈরি করতে পারে।

  • ডিজিটাল মার্কেটিং এর গুরুত্ব

    ডিজিটাল মার্কেটিং কেন শিখবেন?

    ডিজিটাল মার্কেটিং শিখার সময় এসেছে একটি গুরুত্বপূর্ণ নির্ধারণ নিতে। এই যুগে, সামাজিক যোগাযোগ, ইন্টারনেট, এবং প্রযুক্তির ব্যাপক বিস্তার আমাদের ব্যক্তিগত এবং পেশাদার জীবনে অবিভাজ্য অংশ হিসেবে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে। তারকা এই বিশেষ প্রযুক্তির বিকেন্দ্রীকরণে, ব্যবসা ও ব্যবসায়িক প্রস্তুতি করতে হলে আমাদের আত্মবিশ্বাসের সাথে সাথে এই প্রযুক্তিগুলির জানা উচিত হবে। আমরা এখন পর্যন্ত অনেক ধরনের ডিজিটাল মার্কেটিং চর্চা করেছি, এটি প্রত্যাশিত ব্যবস্থাপনা প্রক্রিয়ার স্থায়িতা বজায় রাখতে সাহায্য করতে পারে, সহজে অভিনব বিচার করতে সাহায্য করতে এবং ব্যবসা সামগ্রী বিশ্বস্ত দিক থেকে বাড়াতে পারে।
    ### ডিজিটাল মার্কেটিং কেন শিখবেন?
    #### ১. ব্যবসায়িক সম্মান বৃদ্ধি
    ডিজিটাল মার্কেটিং জ্ঞান অর্জনের মাধ্যমে ব্যবসা সামগ্রী আপনার লক্ষ্য এবং সম্প্রচারে উন্নতি অর্জন করতে সাহায্য করতে পারে। এটি আপনার ব্যবসা অভিজ্ঞতা আরো মোটামুটি, সংস্থার সুস্থতা বা সামাজিক মাধ্যমের মাধ্যমে আপনার কাস্টমারদের সাথে যোগাযোগ স্থাপন করা যেতে পারে।
    #### ২. দক্ষতা এবং দক্ষতা বৃদ্ধি
    ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা আপনাকে একটি দক্ষতার মাধ্যমে প্রযুক্তিগত যোগাযোগ, সাহায্য বা বিপণন সাহায্যের জন্য সক্ষম করে তুলবে। এটি আপনার নামে আপনার ব্যক্তিগত বা পেশাদার প্রকার বৃদ্ধি করতে সাহায্য করতে পারে এবং নতুন কর্মীদের সাথে কাজ করার দক্ষতা আরো বাড়াতে পারে।
    #### ৩. বিকেন্দ্রীকরণ এবং বাড়তি প্রভাব
    ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা আপনাকে আপনার লক্ষ্যগুলির প্রতি কেন্দ্রিত থাকতে সাহায
    ্য করতে পারে এবং আপনার প্রতিটি বিপণন প্রচেষ্টা এবং অনুষ্ঠানের জন্য পরিকল্পনা করতে সাহায্য করতে পারে।
    #### ৪. ব্যবসা গ্রোথ এবং উন্নতি
    ডিজিটাল মার্কেটিং একটি শক্তিশালী উপায় হতে পারে আপনার ব্যবসার উন্নতি এবং বৃদ্ধি করার জন্য, আপনার লক্ষ্যগুলি অর্জন করতে এবং আপনার কাস্টমারদের আপনার ব্র্যান্ডের মাধ্যমে নিজেকে সন্তুষ্ট করতে।
    #### পরিসংখ্যান
    এই সময়ে, ডিজিটাল মার্কেটিং শেখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার ক্যারিয়ার এবং ব্যবসা উন্নতির জন্য। আপনি এই যুগে দক্ষতা বা অবিনয় প্রয়োজন করেন কিনা, ডিজিটাল মার্কেটিং শিখা আপনার ব্যক্তিগত এবং পেশাদার উন্নতির জন্য অবিশ্বাস্য সুযোগ উপস্থাপন করতে পারে।

  • গ্রাফিক ডিজাইন কেন শিখবেন?

    গ্রাফিক ডিজাইন কেন শিখবেন?
    আসলে এই প্রশ্নের নির্দিষ্ট কোন উত্তর নেই। গ্রাফিক ডিজাইন কেন শিখবেন না? সেই প্রশ্ন আগে করা দরকার।
    কারন বর্তমান এই বিশ্বায়নের যুগে এসে যদি আপনি এই স্কিল অর্জন না করতে পারেন তাহলে অনেক কাজেই পিছিয়ে যাবেন। তাই আসুন আজকে জেনে নেয়া যাক গ্রাফিক ডিজাইন সম্পর্কে

    গ্রাফিক ডিজাইন কি ?
    আমাদের মধ্যে এমন অনেক মানুষ আছে। যারা মনে করে শুধু Logo, Vector, illusions কে গ্রাফিক ডিজাইন মনে করে। কিন্তু আদতে তা নয়। এগুলো হলো গ্রাফিক সেক্টরের কিছু অংশ মাএ। অপরদিকে গ্রাফিক ডিজাইন হলো বৃহৎ একটি প্ল্যাটফর্ম।

    গ্রাফিক ও ডিজাইন- এই শব্দ দুটোকে যদি আমরা আলাদা করি। তাহলে গ্রাফিক এর অর্থ হলো, কালার (Colour) এর সংমিশ্রন। আর ডিজাইন (Design) এর অর্থ হলো নকশা।

    যদি সংঙ্গায়িত করি, তাহলে এর অর্থ দাড়াবে, অসংখ্য কালারের সংমিশ্রণে কোনো দৃশ্যমান চিএের মাধ্যমে প্রকাশ করা হয়। তাকে বলা হয় গ্রাফিক ডিজাইন।

    আর যখন কোনো ব্যক্তি,তার ডিজাইন শিল্পকে পূর্নাঙ্গভাবে ফুটিয়ে তুলতে পারে। তখন সেই ব্যক্তিকে বলা হয় গ্রাফিক ডিজাইনার।
    কেন গ্রাফিক ডিজাইন শিখবেন ?
    বর্তমানে অনলাইনে অনেক মার্কেটপ্লেস রয়েছে। এই মার্কেটপ্লেস গুলোতে বিভিন্ন ক্যাটাগরির জব আছে। যেমন, Web Design, SEO, App Development, Graphic Design সহো অনেক। এখন প্রশ্ন হলো, এতো ক্যাটাগরির JOB থাকতে। মানুষ কেন গ্রাফিক ডিজাইন শিখবে?

    তাহলে শুনুন, Freelancing Market গুলোতে গ্রাফিক ডিজাইনের চাহিদা এখন তুঙ্গে। এমন অনেক ফ্রিল্যান্সার আছে, যারা Graphics এর কাজ করে। প্রতি মাসে লক্ষ লক্ষ টাকা ইনকাম করছে।

    এগুলো গল্প নয়, সত্যি। কারন গ্রাফিক ডিজাইনের প্রয়োজন সবখানেই একটি ১০ টাকা দামের বিস্কুটের প্যাকেট থেকে শুরু করে, কোটি টাকার সিনেমার VFX পর্যন্ত৷ সবখানেই গ্রাফিক ডিজাইনের প্রয়োজন।

    হয়তবা আপনার মনে হতে পারে। আজকের দিনে না হয় গ্রাফিক ডিজাইনের চাহিদা রয়েছে। কিন্তু ভবিষ্যত যদি এই কাজের চাহিদা কমে যায়,তখন?

    যদি এমনটা ভেবে থাকেন, তাহলে শুনুন। ভবিষ্যত আমরা কেউ দেখতে পারিনা। কিন্তু নিজের অভিজ্ঞতা থেকে বলতে পারি। যতোদিন অনলাইন মার্কেটপ্লেস থাকবে। ততোদিন গ্রাফিক ডিজাইনের চাহিদাও সমানভাবে বৃদ্ধি পাবে।

    একজন গ্রাফিক ডিজাইনারদের ডিমান্ড কিরকম। তা অনলাইন মার্কেটপ্লেসগুলো তে, একটু ঢু মেরে আসলেই বুঝতে পারবেন।
    গ্রাফিক ডিজাইনে কি কি শিখা লাগে ?
    গ্রাফিক ডিজাইনের কি কি শিখতে হবে। হয়তবা এমনটা বলা আমাদের ভুল হবে৷ আসলে আপনি ডিজাইনিং এর কোন জায়গা থেকে শেখা শুরু করতে চান। সেটিই হলো সবচেয়ে বড় বিষয়। এমনটা হওয়া স্বাভাবিক যে,আপনি হয়তবা লোগো ডিজাইন দিয়ে শেখা শুরু করলেন।

    অপরদিকে কেউ ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন দিয়ে শেখা শুরু করলো। আপনার ডিজাইনিং শিক্ষাটা যেখান থেকেই শুরু হোক না কেন। বর্তমানে সময়ে টিকে থাকতে হলে, আপনাকে নিচে আলোচিত বিষয়গুলো সম্পর্কে অবশ্যই! অবশ্যই!! যথেষ্ট জ্ঞান থাকতে হবে।

    কিন্তু তার মানে এই নয় যে, নিচে যতোগুলো বিষয় আলোচনা করবো। সেগুলোর সবকিছুই আপনাকে শিখতে হবে। কিন্তু এটা সত্য, আলোচিত এই বিষয়গুলোর মধ্যে, আপনি যতোগুলো বিষয় নিজের আয়ওে আনতে পারবেন। আপনার Designing Skills ততো বেশি স্ট্রং হবে।

    তো চলুন, এবার জেনে নেয়া যাক। আসলে গ্রাফিক ডিজাইন শিখতে হলে৷ আপনাকে কোন কোন বিষয় গুলো সম্পর্কে শিখতে হবে।

    ১। ব্যাকগ্রাউন্ট রিমুভঃ গ্রাফিক ডিজাইনের সবচেয়ে সহজ কাজ হলো কোনো পিকচার থেকে Background Remove করা। সদ্য ডিজাইনার হিসেবে প্রত্যেকটি মানুষের শুরুটা হয় এই কাজটি দিয়ে। তাই যেহেতু আপনিও বিগেনার লেভেলের হয়ে থাকেন।তাহলে আপনাকেও ছোট কাজ থেকে শুরু করে ডিজাইন জগতে পদার্পন করা উচিত।

    ২। লোগো ডিজাইনঃ কোনো ব্যক্তি যখন একটি কোম্পানি/প্রতিষ্ঠানের শুরু করে। তখন সবাই চায়, তার কোম্পানিটা যেন একটি Brand এ পরিনত হয়। আর বর্তমান সময় অনুযায়ী, কোম্পানির সাথে সাথে একটা আর্কষনীয় লোগো খুব জরুরী হয়ে পড়েছে।

    তাই যতোই সময় যাচ্ছে, ততোই লোগো ডিজাইন এর চাহিদা ক্রমশ বেড়েই চলেছে৷ তাই যদি আপনি এখনও গ্রাফিক ডিজাইন শিখছেন বা শেখা শুরু করবেন৷ তাহলে প্রথমে লোগো ডিজাইন দিয়ে শুরু করাটা উওম হবে।

    ৩। ভিজিটিং কার্ড ডিজাইনঃ আপনি জানলে অবাক হবেন। বর্তমান সময়ে মানুষ নিজের পরিচিতি প্রদানের জন্য। ভিজিটিং কার্ডের ব্যবহার করে থাকে। তাই ফ্রিল্যান্সিং মার্কেটপ্লেসে এর চাহিদাও বেড়েছে দ্বিগুন হারে।

    সেজন্য লোগো ডিজাইনের পাশাপাশি ভিজিটিং কার্ড ডিজাইন সম্পর্কে আপনার ধারনা রাখতে হবে।

    ৪। পোষ্টার ডিজাইনঃ লোগো এবং ভিজিটিং কার্ড ডিজাইনের পাশাপাশি পোষ্টার ডিজাইন সম্পর্কেও আপনার যথেষ্ট অভিজ্ঞতা থাকতে হবে। সিনেমার পোষ্টার থেকে শুরু করে নির্বাচনী প্রচার-প্রচারনা পর্যন্ত। সবখানেই পোষ্টার ডিজাইনের প্রয়োজন রয়েছে।

    ৫। ভেক্টর আইকন ডিজাইনঃ যখন আপনার গ্রাফিক ডিজাইন সেক্টরে একটু মোটামুটি ধারনা থাকবে। তখন আপনি Vector Icon ডিজাইন শেখা উচিত।এই ভেক্টর আইকন গুলো আপনি অনলাইনের বিভিন্ন মার্কেটে সেল করে। প্রচুর পরিমান অর্থ ইনকাম করতে পারবেন।

    ৬। কার্টুন পেট্রিয়টঃ কোনো মানুষের পিকচার কিংবা অন্য কোনো পিকচারকে Cartoon এ রুপান্তরিত করাকে বলা হয়, Cartoon Patriot. যদি আপনি গ্রাফিক ডিজাইনের এই কাজটি খুব দক্ষতার সাথে করতে পারেন। তাহলে Buyers – রা আপনাকে ভালে এমাউন্টে কাজ করার জন্য অফার করবে।

    ৭। ওয়েবসাইট ডিজাইনঃ হয়তোবা আপনার মনে হতে পারে, এই কাজটা তো একজন ওয়েব ডিজাইনার করবে। তাহলে এখানে গ্রাফিক ডিজাইনের প্রয়োজন হবে কেন? তাহলে শুনুন, Web Designer কোডিং করে একটি ওয়ানডে তৈরি করে, এটা সত্য।

    কিন্তু কোডিং করার আগে সেই ওয়েবসাইটের ডিজাইন কিরকম হবে। সেটা নির্ধারন করে দেয় একজন গ্রাফিক ডিজাইনার।অর্থ্যাৎ এখানেও গ্রাফিক ডিজাইনের প্রয়োজনীয়তা রয়েছে।

    ৮। মোবাইল এপস ডিজাইনঃ হাতে স্মার্টফোন নেই,বর্তমান সময়ে এমন মানুষ খুঁজে পাওয়া মুশকিল। আর একটি স্মার্টফোন থাকলে বিভিন্ন ধরনের Third Party Apps ব্যবহার করতে হয়। স্মার্টফোনে ব্যবহৃত এই এপস গুলো দেখতে কিরকম হবে, এপসের মেনু কোথায় থাকবে, কোন কালার (Colour) হবে।

    এসব কিছু করে একজন গ্রাফিক ডিজাইনার।প্রতিনিয়ত অসংখ্য এপস পাবলিশ হয়ে থাকে। তাই যদি আপনার মোবাইল এপস ডিজাইনে দক্ষতা থাকে। তাহলে আপনাকে আর পেছনে ফিরে তাকাতে হবে না।

    ৯। ইউএক্স/ইউআই ডিজাইনঃ গ্রাফিক সেক্টরের অন্যান্য কাজের চেয়ে। সবচেয়ে বেশি ডিমান্ড রয়েছে একজন Ux/Ui ডিজাইনারের। Buyers- রা এই কাজের জন্য একজন ডিজানারকে প্রচুর পরিমানে অর্থ প্রদান করে। যদি গ্রাফিক সেক্টরে নিজের একটা উজ্জ্বল ভবিষ্যত গড়তে চান। তাহলে অবশ্যই Ux/Ui Design সম্পর্কে দক্ষ হতে হবে।

     

  • SSC পরীক্ষা শেষে কি করবেন?

    বর্তমান বিশ্ব প্রযুক্তি নির্ভর। তাই প্রযুক্তি সম্পর্কে শিখতে, জানতে প্রথমেই আমাদের কম্পিউটারের বেসিক জানা দরকার। অন্যদিকে, আজকাল যেকোনো অফিসে জব করতে গেলেই কম্পিউটারের জ্ঞান থাকা আবশ্যক। কম্পিউটারের বেসিক থেকে এ্যাডভান্স লেবেল পর্যন্ত শিখতে চাইলে আমাদের কোর্সগুলো করে আপনিও হতে পারেন দক্ষ।

    SSC পরীক্ষা শেষে কি করবেন?
    SSC পরীক্ষার পর অবসর সময়টার উপযুক্ত ব্যবহার করে কম্পিউটার প্রশিক্ষণ হতে পারে আপনার জিবনের একটি সেরা সিদ্ধান্ত। যা আপনাকে ভবিষ্যৎ কর্ম জিবনে একধাপ এগিয়ে রাখবে।

    SSC শিক্ষার্থীদের জন্য ৫০℅ ছাড়ে
    সকল কোর্সে নতুন ব্যাচে ভর্তি চলছে।
    গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার কর্তৃক অনুমোদিত
    কারিগরি যুব উন্নয়ন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র, জিগাতলা শাখা /
    যে সকল কোর্স রয়েছেঃ
    ★ এডভান্সড অফিস এপ্লিকেশন প্রোগ্রাম
    ★ গ্রাফিক্স ডিজাইন এন্ড ফ্রিল্যান্সিং
    ★ ডিজিটাল মার্কেটিং এন্ড ফ্রিল্যান্সিং
    ★ স্পোকেন ইংলিশ এন্ড প্রেজেন্টেশান

    আসন সংখ্যা সীমিত, তাই আপনার আসনটি কনফার্ম করার জন্য অফিসে যোগাযোগ করুন। নতুন ব্যাচে প্রথম ০২ টি ফ্রি ক্লাস করার সুযোগ রয়েছে।।।

    samat_it_center

    কম্পিউটিার প্রশিক্ষণের বিশ্বস্ত ও নির্ভরযোগ্য প্রতিষ্ঠান
    কারিগরি যুব উন্নয়ন কম্পিউটার প্রশিক্ষণ কেন্দ্র-জিগাতলা শাখা।
    যোগাযোগঃ
    ৮৬, শের-ই-বাংলা রোড, (ট্যানারী মোড়), জিগাতলা, ধানমন্ডি, ঢাকা-১২০৯।
    মোবাইলঃ ০১৬২৫-২৫৩১০৭, ০১৩২৯-৬৭৩৬৬০

    SSC Exam-2024
  • Our New Post

    Blogs